পাঁচ নতুন মুখ নিয়ে স্পেনের দল ঘোষণা
অনলাইন ডেস্ক
উয়েফা নেশনস লিগের গ্রুপ পর্বে শেষ দুই ম্যাচের জন্য দল ঘোষণা করেছেন স্পেনের কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে। শুক্রবার ঘোষিত ২৬ সদস্যের দলে প্রথমবারের মতো ডাক পেয়েছেন পাঁচ ফুটবলার। তবে চোটের কারণে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকজন খেলোয়াড়কে ছাড়াই দল সাজাতে হয়েছে বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের কোচকে।
নতুন মুখ হিসেবে দলে জায়গা পেয়েছেন আলভারো ভালেস, হাকোবো রামোন, মার্ক রোকা, পাবলো বারিওস ও আন্দের বারেনেচেয়া। তাঁদের মধ্যে বারিওস ও বারেনেচেয়া আগে দে লা ফুয়েন্তের অধীনে ক্লাব পর্যায়ে খেলেছেন। এ ছাড়া দলে ফিরেছেন গোলরক্ষক হুয়ান গার্সিয়া ও ডিফেন্ডার পেদ্রো পোরো। চোটের কারণে সেপ্টেম্বরের আন্তর্জাতিক বিরতিতে তাঁরা দলে ছিলেন না।
এবারের দলে নেই স্পেনের অধিনায়ক রদ্রি ও মিডফিল্ডার দানি ওলমো। দুজনই চোটের কারণে ছিটকে গেছেন। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়েম্বলিতে জাতীয় দলের হয়ে খেলতে গিয়ে চোট পাওয়ায় দলে জায়গা হয়নি এরিক গার্সিয়ারও।
নেশনস লিগের কোয়ার্টার ফাইনাল ইতোমধ্যে নিশ্চিত করেছে স্পেন। তবে গ্রুপের শীর্ষস্থান ধরে রাখতে শেষ দুই ম্যাচে জয় পেতে চাইবে দলটি। আগামী ১২ নভেম্বর প্রাগে চেক প্রজাতন্ত্রের মুখোমুখি হবে স্পেন। এরপর ১৫ নভেম্বর মাদ্রিদের মেট্রোপলিটানো স্টেডিয়ামে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলবে তারা।
এদিকে দল ঘোষণার ভিডিওতে আবেগঘন বার্তা দিয়েছেন কোচ দে লা ফুয়েন্তে। সম্প্রতি স্পেনে ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তিদের পাশাপাশি চলতি সপ্তাহে প্রতিপক্ষ গোলরক্ষকের সঙ্গে সংঘর্ষের পর মারা যাওয়া টেনেরিফের ফুটবলার হেসুস দে মিগেলকেও স্মরণ করেন তিনি।
দে লা ফুয়েন্তে বলেন, ‘এমন ঘটনা কখনোই হওয়া উচিত ছিল না। স্পেনের এমন কষ্ট পাওয়ার কথা নয়। মাঠে যে কাজটি আমরা সবচেয়ে ভালো জানি, সেটির মাধ্যমেই নিহত ব্যক্তিদের প্রতি সর্বোচ্চ শ্রদ্ধা জানাব।’
নভেম্বর উইন্ডোতে স্পেনের দল
– গোলরক্ষক: উনাই সিমন, ডেভিড রায়া, হুয়ান গার্সিয়া, আলভারো ভালেস।
– রক্ষণভাগ: আয়মেরিক লাপোর্তে, পাউ কুবারসি, মার্ক পুবিল, ডিন হুইজসেন, পেদ্রো পোরো, হাকোবো রামোন, মার্ক কুকুরেয়া, আলেহান্দ্রো গ্রিমালদো।
– মিডফিল্ড: ফাবিয়ান রুইজ, পেদ্রি, মিকেল মেরিনো, মার্টিন জুবিমেন্দি, অ্যালেক্স বায়েনা, ফারমিন লোপেজ, পাবলো বারিওস, মার্ক রোকা।
– আক্রমণভাগ: মিকেল ওইয়ারজাবাল, ফেররান তোরেস, রবার্তো ফার্নান্দেজ, লামিনে ইয়ামাল, নিকো উইলিয়ামস, ইয়েরেমি পিনো, আন্দের বারেনেচেয়া।
