ফেলানীর নামে সড়ক নামকরণ প্রতিবাদ ও সম্মান রক্ষার প্রতীক: ডিএনসিসি প্রশাসক

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ বলেছেন, দেশ হিসেবে মাথা উঁচু করে নিজেদের সম্মান ও মানবিক মর্যাদা বজায় রাখার প্রতীক এবং প্রতিবাদ হিসেবেই ফেলানীর নামে সড়কটির নামকরণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে গুলশানে ‘ফেলানী এভিনিউ’-এর নামফলক উন্মোচন অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। গুলশান-২ থেকে প্রগতি সরণি পর্যন্ত সড়কটি ২০১১ সালে সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত কিশোরী ফেলানী খাতুনের স্মরণে নামকরণ করা হয়।

ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, প্রতিবেশী দেশসহ বিশ্বের যেকোনো দেশের সঙ্গে কথা বলার সময় বাংলাদেশ মানবিক মর্যাদা ও সম্মান বজায় রেখেই কথা বলবে। মুক্তিযুদ্ধ আমাদের সেই মানবিক মূল্যবোধের শিক্ষাই দেয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান। তিনি বলেন, বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষ সীমান্ত হত্যা বন্ধ দেখতে চায়। ফেলানী কাঁটাতারে ঝুলন্ত অবস্থায় প্রাণ হারিয়েছিল—এই নিষ্ঠুরতা আমাদের প্রতিদিন মনে করিয়ে দেওয়ার জন্যই তার নামে সড়কটির নামকরণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিশ্বের বিবেকের কাছে তুলে ধরা হচ্ছে যে, সীমান্ত হত্যার মতো জঘন্য অপরাধ এখনো বাংলাদেশের সীমান্তে ঘটছে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. রেজাউল মাকছুদ জাহেদী বলেন, ফেলানী হত্যাকাণ্ড কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; এটি একটি সুস্পষ্ট মানবাধিকার লঙ্ঘনের দৃষ্টান্ত।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন পূর্ত সচিব মো. নজরুল ইসলাম, রাজউক চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. রিয়াজুল ইসলাম, ডিএনসিসির প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জে. মঈন উদ্দীন, ডিএনসিসি সচিব মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান, প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ এস এম শফিকুর রহমানসহ ডিএনসিসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights