বাস দুর্ঘটনা: পুকুর ভরাটের নির্দেশ দেবে সড়ক ও জনপথ
ঝালকাঠি প্রতিনিধি
ঝালকাঠিতে বাস দুর্ঘটনায় ১৭ জন নিহত হওয়ার প্রায় দুই দিন পর চালকসহ তিন জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, নিহতদের পরিবারের পক্ষ থেকে কেউ বাদী হতে রাজি না হওয়ায় মামলা দায়েরে দেরি হয়েছে।
রবিবার রাতে ঝালকাঠি সদর থানার এসআই সুশংকর বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মামলার আসামিরা পলাতক।
এদিকে পুকুর ভরাট করতে মালিককে চিঠি দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে সড়ক ও জনপথ বিভাগ। দুর্ঘটনার পর পুকুরটি ভরাট করতে জমির মালিককে নির্দেশ দিবেন বলে জানিয়েছেন সড়ক ও জনপথের নির্বাহী প্রকৌশলী শেখ নাবিল হোসেন। তিনি সোমবার সন্ধ্যায় বলেন, আঞ্চলিক মহাসড়ক আইনে ১০ মিটারের মধ্যে কোন স্থাপনা বা দখল করা যাবে না। ঐ স্থানে পুকুর খননকারীকে ভরাট করতে চিঠি দেওয়া হবে। অতি শিগগিরই সড়কের পাশে খালি স্থানে গাছ রোপণ করা হবে।
ঝালকাঠি বাস শ্রমিক ইউনিয়ন জানিয়েছে, ঘাতক গাড়ির চালক মোহন স্থানীয় শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্য নয়। তার হালকা যান চালানোর লাইসেন্স থাকলেও যাত্রীবাহী বাস চালানোর লাইসেন্স নেই। লাইসেন্স না থাকলেও বাসার স্মৃতি গাড়ির মালিক তাকে কিভাবে ড্রাইভার নিয়োগ করলো সেটা তারা জানেন না। গাড়ির মালিককেও আসামি করা উচিত ছিল। অদক্ষ ড্রাইভার দিয়ে গাড়ি চালানোয় মালিকের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।
গত শনিবার সকাল পৌনে ১০টার দিকে ভান্ডারিয়া থেকে বরিশাল যাওয়ার পথে ঝালকাঠির গাবখান ধানসিঁড়ি ইউনিয়নের ছত্রকান্দা এলাকায় যাত্রীবাহী বাসটি উল্টে পানিতে পড়ে গিয়ে ১৭ জন নিহত হয়েছেন। এদের মধ্যে ৮ জন নারী, ৬ জন পুরুষ ও ৩ জন শিশু। এতে আরো ৩৫ জনকে আহত হয়েছেন। এদিকে দুর্ঘটনার কারণ উদঘাটনে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মামুন শিবলিকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।
