১৩ মিনিট ১৫ সেকেন্ডেই বদলে গেল ম্যাচের গল্প

অনলাইন ডেস্ক

শেষ ষোলোর লড়াইয়ে ৭৯ মিনিট পর্যন্ত ২-০ গোলে পিছিয়ে ছিল আর্জেন্টিনা। কিন্তু মাত্র ১৩ মিনিট ১৫ সেকেন্ডের ঝড়ে পুরো ম্যাচের চিত্রই পাল্টে দেয় বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। শেষ পর্যন্ত ৩-২ ব্যবধানে অবিশ্বাস্য জয় তুলে নিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নেয় স্কালোনির শিষ্যরা।

আটলান্টায় শুরু থেকেই চাপে পড়ে আর্জেন্টিনা। ১৫ মিনিটে ইয়াসের ইব্রাহিমের গোলে এগিয়ে যায় মিসর। এরপর পেনাল্টি পেলেও সেটি কাজে লাগাতে পারেননি লিওনেল মেসি। প্রথমার্ধে একাধিক সুযোগ তৈরি করেও সমতায় ফিরতে ব্যর্থ হয় আর্জেন্টিনা।

দ্বিতীয়ার্ধে আরও আত্মবিশ্বাসী ফুটবল খেলতে থাকে মিসর। ফাউলের কারণে একটি গোল বাতিল হয় সালাহদের। পরে ম্যাচের ৬৭ মিনিটে মোস্তাফা জিকোর গোলে ব্যবধান দ্বিগুণ করে মিসর। তখন মনে হচ্ছিল বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিশ্চিত হয়ে গেছে মেসির আর্জেন্টিনার।

কিন্তু সেখান থেকেই শুরু হয় নাটকীয় প্রত্যাবর্তন। ম্যাচের ৭৯ মিনিটে মেসির অ্যাসিস্টে ক্রিস্টিয়ান রোমেরো ব্যবধান কমান। চার মিনিটের কিছু বেশি সময় পর সমতাসূচক গোল করেন মেসি নিজেই। এরপর যোগ করা সময়ে এনজো ফার্নান্দেজের হেডে আসে জয়সূচক গোল।

মাত্র ১৩ মিনিট ১৫ সেকেন্ডে তিন গোল করে ম্যাচের গল্পই পাল্টে দেয় আর্জেন্টিনা। প্রায় নিশ্চিত হার থেকে দুর্দান্ত এই জয় তুলে নিয়ে তারা পৌঁছে যায় কোয়ার্টার ফাইনালে।

রেফারি যখন ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজায়, তখন আবেগে ভেঙে পড়েন মেসি। এই কান্না জয়ের, আনন্দের আর বিশ্বাসের।

এই নাটকীয় ম্যাচে আর্জেন্টিনা আবারও প্রমাণ করে, চ্যাম্পিয়নদের সবচেয়ে বড় শক্তি শুধু দক্ষতা নয়, শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়ে যাওয়ার মানসিকতা। ম্যাচের গল্প যেকোন সময় বদলে দিতে পারে মেসির আর্জেন্টিনা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights