পল্লবীতে ককটেল বিস্ফোরণে কুরিয়ার কর্মী দগ্ধ, হাসপাতালে ভর্তি
ঢামেক প্রতিনিধি
রাজধানীর পল্লবীতে কুরিয়ার সার্ভিসের সামনে পরপর দুটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় রমজান ওরফে বাপন (২০) নামে এক কর্মী গুরুতর দগ্ধ হয়েছেন। তাঁর শরীরের ২০ শতাংশ পুড়ে গেছে। তাঁকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
মঙ্গলবার রাত পৌনে ৯টার দিকে মিরপুর-৬ নম্বর সেকশনের সি-ব্লকের ৪ নম্বর রোডে এজেআর পার্সেল অ্যান্ড কুরিয়ার সার্ভিসের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
আহত রমজানের সহকর্মী জুম্মন জানান, তাঁরা ওই প্রতিষ্ঠানে শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন। ঘটনার সময় তাঁরা গাড়ি থেকে পার্সেল ও মালামাল নামাচ্ছিলেন। এ সময় অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা পরপর দুটি বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়। এতে সবাই ছোটাছুটি শুরু করেন। একপর্যায়ে প্রতিষ্ঠানের সামনে রাখা মালামালে আগুন ধরে যায়। তখন রমজানের শরীরেও আগুন লাগে।
পরে সহকর্মীরা তাঁর শরীরের আগুন নিভিয়ে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখান থেকে রাতে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়। রমজানের ডান হাত ও পেটের নিচের অংশ দগ্ধ হয়েছে বলে জানান জুম্মন। তবে কারা, কী কারণে এ ঘটনা ঘটিয়েছে, তা তাঁরা জানতে পারেননি। মালামালের কী পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে, সে বিষয়েও নিশ্চিত নন তাঁরা।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. সুলতান মাহমুদ শিকদার বলেন, আহত রমজানের শরীরের ২০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। তাঁকে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জালাল উদ্দীন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এজেআর কুরিয়ার সার্ভিসের সামনে দুটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে প্রতিষ্ঠানের এক কর্মচারী আহত হয়েছেন। তাঁকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
আহত রমজান নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার নাজিরপুর গ্রামের মৃত হাসু মিয়ার ছেলে। বর্তমানে তিনি রাজধানীর হাজারীবাগের বউবাজারের নুরু কসাই গলিতে থাকেন।
