হুথিদের ওপর ১২ শতাধিক হামলা চালিয়েছে ইয়েমেন, শান্তি ফেরানোর উদ্যোগ কাতারের
অনলাইন ডেস্ক
মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে সংঘাত ও উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে। একদিকে ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী হুথি বিদ্রোহীদের ওপর ১ হাজার ২০০-এর বেশি হামলা চালানোর দাবি করেছে, অন্যদিকে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ফেরাতে মিসর, তুরস্ক ও সৌদি আরবের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে কাতার।
ইয়েমেনের সশস্ত্র বাহিনীর মুখপাত্র মাজেদ আবদুল্লাহ আল-নুজাইলি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে হুথিদের ওপর এসব হামলার কথা জানান। তবে ঠিক কত দিনের মধ্যে এই ১ হাজার ২০৮টি হামলা চালানো হয়েছে, তা তিনি নির্দিষ্ট করেননি। তিনি জানান, সরকারি বাহিনী সম্মুখযুদ্ধে অংশ নিয়ে কিছু এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিতে সক্ষম হয়েছে। হুথিরা সেগুলো পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করলে তা নস্যাৎ করে দেওয়া হয়। পাশাপাশি বিদ্রোহীদের জমায়েত ও সামরিক সম্পদের ওপর বিমান হামলাও চালানো হয়েছে।
আল-জাওফ ও মারিব রণাঙ্গনের পরিস্থিতি উল্লেখ করে এই মুখপাত্র দাবি করেন, সেখানে হুথিদের প্রায় ৩৭০ জন মাঠপর্যায়ের কমান্ডার ও যোদ্ধাকে নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে এবং তাদের প্রায় ১২০টি সামরিক যান ধ্বংস করা হয়েছে। তবে ইয়েমেন সরকারের দেওয়া এসব পরিসংখ্যান স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি এবং হুথিদের পক্ষ থেকেও তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
ইয়েমেনসহ পুরো মধ্যপ্রাচ্যের এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মধ্যেই শান্তি ফেরানোর কূটনৈতিক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে কাতার। দেশটির প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান বিন জাসিম আল থানি আঞ্চলিক উত্তেজনা কমাতে মিসর, তুরস্ক ও সৌদি আরবের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলাদাভাবে টেলিফোনে কথা বলেছেন। দোহায় কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই আলোচনার মূল লক্ষ্য হলো অঞ্চলে নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বৃদ্ধি করা।
কাতারের প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, সমুদ্রে অবাধ নৌচলাচল নিশ্চিত করা এবং একটি টেকসই ও দীর্ঘমেয়াদি শান্তি চুক্তিতে পৌঁছানোর পথ সুগম করতে সব ধরনের কূটনৈতিক প্রচেষ্টার প্রতি তার দেশের পূর্ণ সমর্থন রয়েছে।
