ব্যাটিং ব্যর্থতায় খুলনার কাছে হেরে গেল রংপুর

অনলাইন ডেস্ক

বিপিএলের সিলেট পর্বে নিজেদের তৃতীয় ম্যাচে খুলনা টাইগার্সের বিপক্ষে ব্যাটিং ব্যর্থতায় ২৮ রানে পরাজিত হয়েছে রংপুর রাইডার্স। অপরদিকে, টানা তিন ম্যাচে জিতে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠে গেল খুলনা।

শুক্রবার সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে খুলনা টাইগার্সের দেওয়া ১৬১ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ১৮.৪ বল খেলে ১৩২ রানে অলআউট হয়ে গেছে রংপুর।

১৬১ রানের লক্ষ্যে নেমে রংপুর রাইডার্স দ্বিতীয় ওভারেই ধাক্কা খায়। হারিয়ে ফেলে দলের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ব্যাটার বাবর আজমকে। আরও একবার ব্যর্থ হন ব্র্যান্ডন কিং। এদিন তিনে নেমে ৫ বলে মাত্র ১ রান করে আউট হয়ে যান মোহাম্মদ নওয়াজের বলে। শুরুতে দুই উইকেট হারিয়ে ফেলার পর কিছুটা ধীর হয়ে যায় রংপুর রাইডার্সের রানের গতি।
চারে নেমে ২৫ বলে ২২ রান করে আউট হয়ে যান শামীম পাটোয়ারী। পরের লড়াইটা ছিল শুধুই মোহাম্মদ নবীর। এদিন আট নম্বরে ব্যাট করতে নামেন সাকিব। ৪ বলে ২ রানের বেশি করতে পারেননি তিনি। শেষ ব্যাটার হিসেবে আউট হওয়ার আগে নবী ৪ চার ও ৩ ছক্কায় ৩০ বলে ৫০ রান করেন।

খুলনা টাইগার্সের হয়ে দারুণ বোলিং করেন দাসুন শানাকা। ৩ ওভারে ১৬ রান খরচায় তিনি নেন ৩ উইকেট। দু’টি করে ‍উইকেট পান মোহাম্মদ ওয়াসিম ও মোহাম্মদ নওয়াজ। একটি উইকেট নেন নাসুম আহমেদ।

এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নামা খুলনার বিপক্ষে দুর্দান্ত শুরু করে রংপুর। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে রংপুরের মাহাদী হাসানের বলে শূন্য রানে ফেরেন অধিনায়ক এনামুল হক বিজয়। পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে এসে মাহমুদুল হাসান জয়ের উইকেটও তুলে নেন মাহাদী। আফিফ হোসেনও বেশিক্ষণ টেকেননি। ৬ বলে ৪ রানে হাসান মাহমুদের শিকার হন তিনি। আগের ম্যাচের মতো এভিন লুইস ভয়ঙ্কর হওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। কিন্তু ২৫ বলে ৩ চার ও ৩ ছক্কায় ৩৭ রানে তাকে বিদায় করেন হাসান।

এরপর পঞ্চম উইকেটে জুটি বাঁধেন দাসুন শানাকা ও মোহাম্মদ নাওয়াজ। শুরুতে ধীরে-সুস্থে খেলে চাপ কমান দলের ওপর। তবে ১৬তম ওভারে এসে আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন দু’জনই। রিপন মণ্ডলের করা সেই ওভারে আদায় করেন ১৮ রান। ১৩ রান নেন পরের ওভারে। আজমতউল্লাহ ওমরজাইয়ের করা ১৮তম ওভারে আসে ১৫ রান।

তবে ১৯তম ওভারে শানাকাকে বোল্ড করে ৭৭ রানের এই জুটি ভাঙেন হাসান। ৩৩ বলে ৫ চার ও ১ ছক্কায় ৪০ রান করেন শানাকা। তবে ফিফটি তুলে নেন মোহাম্মদ নওয়াজ। ৩৪ বলে ৫ চার ও ৩ ছক্কায় ৫৫ রানে রিপনের শিকার হন এই পাকিস্তানি অলরাউন্ডার।

এদিন চোখের ডাক্তার দেখিয়ে মাঠে ফেরেন সাকিব আল হাসান। ৪ ওভার বোলিং করে উইকেট না পেলেও মাত্র ২০ রান খরচ করেছেন তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights